সম্মানিত জ্যোতিষ অনুরাগী বন্ধুরা,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল এখন আমাদের সামনে। নির্বাচনের আগে আপনারা দেখেছেন, আমরা আমাদের ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল এবং ওয়েবসাইটে দুটি বিস্তারিত জ্যোতিষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলাম।
আজ সময় এসেছে আবেগের ঊর্ধ্বে উঠে, সেই জ্যোতিষ গণনার সাথে বাস্তবতাকে মিলিয়ে দেখার। কোথায় আমরা সফল, আর কোথায় সমীকরণ এখনো মেলেনি—আসুন দেখে নিই।
✅ যা হুবহু মিলেছে (তুঙ্গস্থ মঙ্গলের দাপট):
আমরা আমাদের প্রতিটি রিপোর্টে স্পষ্টভাবে বলেছিলাম, ভোটের দিন মকর রাশিতে ‘তুঙ্গস্থ মঙ্গল’ অবস্থান করবে। মঙ্গল হলো শক্তি ও প্রশাসনের কারক। এই যোগ নির্দেশ করেছিল যে, দেশের বৃহৎ জাতীয়তাবাদী শক্তি সাংগঠনিক ও প্রশাসনিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে এবং ক্ষমতার কেন্দ্রে উঠে আসবে।
বাস্তব ফলাফলে আমরা দেখছি, সেই শক্তিই এককভাবে বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের পথে। এখানে মেদিনী জ্যোতিষের গণনা ১০০% সঠিক প্রমাণিত হয়েছে।
🤔 যা এখনো দৃশ্যমান নয় এবং তার জ্যোতিষীয় কারণ:
আমরা আরেকটি সম্ভাবনার কথা বলেছিলাম যে, ‘ধর্মীয় জোট’ বা সমমনা শক্তি সরকার গঠনে ‘কিং-মেকার’ বা নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় থাকতে পারে। আসন সংখ্যার বিচারে এই চিত্রটি এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার হয়নি।
এর জ্যোতিষীয় কারণ কী হতে পারে?
১. কেতুর অদৃশ্য প্রভাব: আমরা বলেছিলাম সিংহাসনের ঘরে ‘কেতু’ বসে আছে। কেতুর ধর্মই হলো সবকিছু ধোঁয়াশাচ্ছন্ন রাখা। হতে পারে এই ‘নিয়ন্ত্রণ’ প্রকাশ্যে মন্ত্রিত্বের ভাগাভাগিতে দেখা যাবে না, বরং পর্দার আড়ালে বড় কোনো নীতি নির্ধারণে বা সংবিধান সংশোধনের সময় তাদের ভূমিকা স্পষ্ট হবে।
২. বৃহস্পতির বিলম্বিত ফল: ভোটের দিন দুপুরের পর চন্দ্র ধনু রাশিতে (ধর্মভাব) প্রবেশ করেছে। এর প্রভাব তাৎক্ষণিক না হয়ে দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে। রাজনীতিতে শেষ চাল এখনো বাকি থাকতে পারে।
⏳ সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: এই সরকার কি দীর্ঘস্থায়ী হবে?
জ্যোতিষ শাস্ত্র বলছে, পথ খুব মসৃণ হবে না।
ভোটের দিন সেনাপতি মঙ্গল শক্তিশালী থাকলেও, রাজার কারক ‘রবি’র খুব কাছে থাকায় সে Combust অবস্থায় ছিল। সাথে ছিল শনির দৃষ্টি।
এর মানে হলো—সরকার গঠন হলেও তীব্র অভ্যন্তরীণ কোন্দল, বাইরের চাপ এবং মিত্রদের সাথে মতানৈক্যের কারণে সরকারকে পদে পদে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী কিন্তু ‘অস্থির’ সময়ের ইঙ্গিত দেয়।
🔮 আসছে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন:
খুব শীঘ্রই আমরা পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন নিয়েও গ্রহ-নক্ষত্রের চুলচেরা বিশ্লেষণ নিয়ে আসব।
বাংলাদেশের বন্ধুরা, ভোটের ফলাফল এবং আমাদের এই জ্যোতিষীয় পর্যালোচনা নিয়ে আপনাদের সুচিন্তিত মতামত কী?
আপনারা কি মনে করেন ধর্মীয় জোটের প্রভাব ভবিষ্যতে বাড়বে?
কমেন্টে আপনাদের বিশ্লেষণ জানান।
(ডিসক্লেইমার: এটি সম্পূর্ণ গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে করা একটি জ্যোতিষশাস্ত্রীয় সম্ভাবনার বিশ্লেষণ মাত্র। বাস্তব রাজনীতি সবসময় পরিবর্তনশীল।)










